টিউটোরিয়াল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
টিউটোরিয়াল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ৮ জুন, ২০১০

Infrarecoder (ইনফ্রারেকোর্ডার) একটি দুর্দান্ত ডিভিডি/সিডি রাইট করার সফটওয়্যার

আমার মনে হয় যারা ডিভিডি/সিডি বার্ণ করে, তাদের মধ্যে ৮০% ব্যবহারকারী, রাইটারের সাথে যে নেরো বার্ণিং রোমের ওইএম সংস্করণটা আসে সেটা ব্যবহার করে, নাইলে পাইরেটেড নেরো ব্যবহার করে। বার্ণিং সফটওয়্যার বলতেই তারা বোঝে নেরো। আমাদের হাতের নাগালেই যে কত সুন্দর সুন্দর ডিভিডি/সিডি

বার্ণিংসফটওয়্যার আছে, সেটা কখনো খুঁজে দেখিনা বা দেখবার চেষ্টা করিনি।

প্রায় বছরখানেক হলো আমি ইনফ্রারেকোর্ডার ব্যবহার করছি। অনেকদিন থেকেই ভাবছিলাম আমার ব্লগ পাঠকদেরকে এটা সম্পর্কে জানাই। নেরো দিন দিন ভারী হতে থাকায় আমি বহুদিন হলো নেরো বাদ দিয়ে এস্যাম্পু বার্নিং স্টুডিও ব্যবহার করছিলাম। এটা একটা সংস্করণ আছে যেটা বিনামূল্যে পাওয়া যায় এই লিঙ্ক থেকে।

http://download.cnet.com/Ashampoo-Burning-Studio-Free/3000-2646_4-10776287.html

যাই হোক, এর পরে একদিন দেখলাম ইনফ্রারেকোর্ডার সম্পুর্ণ ওপেনসোর্স এই এপ্লিকেশনটি দিয়ে ডিভিডি/সিডি বার্ণ করাজন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুই করা যায়। ব্যবহারে অনেক সহজ এবং অনেক মজা।


এর মূল ফিচারগুলি এরকম:
Create custom data, audio and mixed-mode projects and record them to physical discs as well as disc images.
Blank (erase) rewritable discs using four different methods.
Record disc images.
Fixate discs (write lead-out information to prevent further data from being added to the disc).
Scan the SCSI/IDE bus for devices and collect information about their capabilities.
Create disc copies, on the fly and using a temporary disc image.
Import session data from multi-session discs and add more sessions to them.
Display disc information.
Save audio and data tracks to files (.wav and .iso).

একবার ব্যবহার করেই দেখুন না। Download now


বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১০

ইলাষ্ট্রেটর টিউটোরিয়াল পাতা তৈরি

আসুন ইলাষ্ট্রেটরে পাতা তৈরি করি। খুবই সহজ। মাত্র ৪-৫ টি ধাপে আপনি পাতা তৈরি করতে পারবেন। তো আসুন শুরু করে দেই। প্রথমে ইলাষ্ট্রেটরে একটি নতুন ফাইল নিন। তারপর Pen Tool (P) দিয়ে নিচের চিত্রের মত করে আকান





তারপর এর মাঝখান দিয়ে আবার একটি দাগ আকান। এরপর Window>Pathfinder থেকে Divide করুন।
এবং সবশেষে Ungroup করুন।


তারপর Gradient Tool (G) দিয়ে পুরো অংশে চিত্রের মত গ্রিডেন্ট দিন
তারপর ডিভাইড করা অংশে গ্রিডেন্ট দিন

তারপর Pen Tool (P) ব্যবহার করে চিত্রের মত করে আকান। কালারের মাপ হবে C=40 M=0 Y=100 K=0
এবং এতে গ্রিডেন্ট দিন


তারপর Pen Tool (P) ব্যবহার করে চিত্রের মত করে আকান। কালারের মাপ হবে C=40 M=0 Y=100 K=0


এবং এতে গ্রিডেন্ট দিন


তারপর Pen Tool (P) ব্যবহার করে চিত্রের মত করে আকান। কালারের মাপ হবে C=40 M=0 Y=100 K=0। এবং গ্রিডেন্ট দিন



এরপর চিত্রের দিকে খেয়াল করে একটি বৃত্ত আকান

এরপর এটিকে গ্রুপ করে সুন্দর করে পাতার উপর বসান

মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল, ২০১০

ALL in One PDF Solution PDF এর মুশকিল আহসান

আমরা যেকোন ডোকমেন্ট ফাইল কে PDF করার জন্য PDF Creator , PDF doit,CutePDF Writer, PrimoPDF ইত্যদি ফ্রি সফট ব্যবহার করি। আবার প্রয়োজনে PDF কে Convert করে JPG ,BMP,ESP,PCX,PNG,PS,TIFF, ফরমেট করার জন্য আলাদা আলাদা সফট ব্যবহার করি। 
আবার PDF ফাইলে জলছাপ বা Watermark ব্যাবহার করার জন্য আলাদা
সফট ব্যবহার করি।
অনেক সময় গোপন PDF ফাইল কে পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখতে হয়।

আর এত্ত সব যোদি এক সাথে পাওয়া যেত তা হলে কেমন হত? তাও আবার একবারে ফ্রী 
হ্যা আজ আমি যে সফট নিয়ে এসেছি এটা দিয়ে এ সব কিছু করা যাবে

Software টি হ্ল Bullzip PDF Printer

Download-http://www.softpedia.com/get/Office-tools/PDF/BullZip-PDF-Printer.shtml


ভালো ভাবে বোঝার জন্য কিছু screenshot দিলাম


সমস্য হবার কথা না তার পরও যোদি সমস্যা হয় যানাবেন ।

মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ, ২০১০

Blogging Account শুরু পর্ব-১

আজ আমরা শিখব ব্লগারে Blogger.com ব্লগিং করা কিভাবে শুরু করতে হয়। অথবা ভিন্নভাবে বললে বলতে হবে ব্লগারে কিভাবে একটি ব্লগিং একাউন্ট (Blogging Account) খুলতে হয়।

ব্লগার হল গুগল (Google) কোম্পানি দ্বারা প্রদত্ত সবচাইতে বড় ব্লগিং প্লাটফর্ম (Blogging Platform)। এখানে ব্লগিং করার জন্য কোনরকম ফি প্রদান করতে হবে না। সম্পূর্ণ বিনেপয়সায় (Free) আনলিমিটেড (Unlimited) স্পেস (Space) আপনার ব্লগিং এর জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়। ফলে নিজস্ব ডোমেইনে যেমন জায়গা সমস্যার কারণে সবসময় একটু চিন্তায় থাকতে হয়, ব্লগারে ব্লগিং করলে সেই চিন্তা থেকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত থাকা যায়।

১।প্রথমে আপনাকে http://blogger.com এ যেতে হবে। এই পেজের ছবিটা নিম্নরূপ:


হলুদ বক্সের মধ্যে 1 এবং 2 লেখা জায়গাগুলোকে খেয়াল করতে হবে।
প্রথমে 1 নং জায়গায় আপনাকে একটি কার্যকরী (Valid) ই-মেইল (e mail) এড্রেস ও পাসওয়ার্ড (Password) দিতে হবে। এই ই-মেইল এড্রেসটি অবশ্যই জিমেইল (Gmail) এর হতে হবে।
যদি আপনার জিমেইল এড্রেস (Google account) না থাকে তাহলে 2 নং হলুদ বক্সে Create your blog now লেখা জায়গাতে একবার ক্লিক (Click) করে পরবর্তী ধাপে যান। এখানে আপনাকে একটি জিমেইল একাউন্ট (Gmail Account) খোলার জন্য ফরম আসবে। ফরমটি সঠিকভাবে পূরণ করলেই আপনি জিমেইল একাউন্ট খুলে ফেলতে পারবেন। এ বিষয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। একটি জিমেইল একাউন্ট থাকার অর্থ হল আপনি স্বয়ক্রিয়ভাবে একটি গুগল একাউন্ট (Google Account) এর অধিকারী হয়ে গেলেন। একটি গুগল একাউন্ট থাকার সুবিধা অনেক। একটি গুগল একাউন্ট থাকলে কি কি সুবিধা পাওয়া সম্ভব সে বিষয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
সূত্র- Bangla Hacks