কম্পিউটার টিপস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কম্পিউটার টিপস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল, ২০১০

ALL in One PDF Solution PDF এর মুশকিল আহসান

আমরা যেকোন ডোকমেন্ট ফাইল কে PDF করার জন্য PDF Creator , PDF doit,CutePDF Writer, PrimoPDF ইত্যদি ফ্রি সফট ব্যবহার করি। আবার প্রয়োজনে PDF কে Convert করে JPG ,BMP,ESP,PCX,PNG,PS,TIFF, ফরমেট করার জন্য আলাদা আলাদা সফট ব্যবহার করি। 
আবার PDF ফাইলে জলছাপ বা Watermark ব্যাবহার করার জন্য আলাদা
সফট ব্যবহার করি।
অনেক সময় গোপন PDF ফাইল কে পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখতে হয়।

আর এত্ত সব যোদি এক সাথে পাওয়া যেত তা হলে কেমন হত? তাও আবার একবারে ফ্রী 
হ্যা আজ আমি যে সফট নিয়ে এসেছি এটা দিয়ে এ সব কিছু করা যাবে

Software টি হ্ল Bullzip PDF Printer

Download-http://www.softpedia.com/get/Office-tools/PDF/BullZip-PDF-Printer.shtml


ভালো ভাবে বোঝার জন্য কিছু screenshot দিলাম


সমস্য হবার কথা না তার পরও যোদি সমস্যা হয় যানাবেন ।

সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১০

এক্সপি ভিস্তা ৭ মিন্ট উবুন্ডু একসাথে চালান আপনার পিসিতে

পোর্টেবল ভার্চুয়াল মেশিন

আমরা অনেক সময় নেট হতে নতুন কোন অপারেটিং সিষ্টেম যেমন windows এর অথবা লিনাক্স এর ISO File Download করি, তা চেক করার জন্য সিডি তে রাইট করতে হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে install করতে গিয়ে আপনার এতোদিনের সাজানো কম্পিউটারের বারোটা বেজে যায়। তাই আপানার কম্পিউটারে কোন নতুন কিছু সেটাপ দেয়ার পূর্বে পোর্টেবল ভার্চুয়াল মেশিন দিয়ে চেক করে নিতে পারেন ভালো লাগলে ব্যাবহার করবেন না লাগলে করবেন না। আর একটা কথা আপনাদের পিসির কনফিগার যোদি ভাল থাকে তা হলে একই সাথে দুই বা তার বেশি অপারেটিং সিষ্টেম ব্যাবহার করতে পারবেন। আর যারা মাল্টিবুট সিডি Customizing CD ইত্যদি তৈরি করেন তাদের জন্য তো এটা ফরজ।
আর বেশি কিছু বলবনা বাকী টা ব্যাবহার করলেই বুঝতে পারবেন
ডাউনলোড করুন এইখান থেকে
এটা পোর্টেবল তাই আপনার বারতি কোন ঝামেলা পোহাতে হবে না সুধু ডাউনলোড করুন মাত্র১.৬ MB সফটয়্যার টি।তারপর নিচের ছবির মত
প্রথমে Right Click menu তে click করুন















তার পর Run The Live CD অথবা Run The Live USB Click করে নিচের মত করে আপনার iso File টি নির্বাচন করুন















oprn করলেই আপনার iso টি চালু হবে















কোন সমস্যা হবার কথা না কোন সমস্যা হলে যানাবেন
johnautomation2@gmail.com

বুধবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১০

জিমেইলে ব্যাকআপ রাখুন Gmail File Backup

ইমেইলের অনলাইন ভান্ডারে বিভিন্ন তথ্য রাখা বেশ নিরাপদ। কিন্তু লগইন করে ফাইলগুলো সংযুক্ত (এ্যাটাচ) করা বেশ ঝামেলার। কিন্তু জিমেইল লগইন না করেই কোন ফাইল বা ফোল্ডারে এক ক্লিকেই যদি জিমেইলে পছন্দের ফাইল/ফোল্ডার যুক্ত করে রাখা যেত তাহলে কেমন হতো! জিমেইলর জিড্রাইভ ভালভাবে কাজ না করাতে সাধারণত অনেকই জিমেইলে দরকারী ফাইলগুলো সংযুক্ত করে রাখেন। তবে এজন্য জিমেইলে লগইন করতে হয় এবং ফাইলগুলোকে সংযুক্ত করে নিজের অন্য মেইলে বা উক্ত মেইলেই মেইল করতে হয়। এসবের সমাধান দেবে ব্যাকআপ টু ইমেইল সফটওয়্যার। সফটওয়্যারটি ইনস্টল করে জিমেইলের ইউজার, পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখলে যেকোন ফাইল বা ফোল্ডারের উপরে মাইসের ডান বাটনে ক্লিক করে Backup To EMail এ ক্লিক করেলেই আপলোড হতে শুরু করবে। ফোল্ডারের ক্ষেত্রে ফোল্ডারটি জিপ (zip) হিসাবে সংযুক্ত হবে। আপলোড হবার পরে তা প্রদেয় মেইলের ইনবক্সে চলে আসবে। ইচ্ছে করলে Backup To EMail মেইলগুলোকে ফিল্টার করে ইনবক্স এড়িয়ে নির্দিষ্ট লেবেলে নিয়ে আসা যাবে। আর পরবর্তিতে অন্য কাউকোতো ফরওয়ার্ড করা যাবেই। মাত্র ১.৭৬ মেগাবাইটের ফ্রি সংস্করণটি www.backup2e.com থেকে ডাউনলোড করা যাবে। তবে সফটওয়্যারটি চালাতে জাভা ইনস্টল থাকতে হবে।

সূত্র-সমকাল দর্পন

হিডেন ফাইল খুঁজে বের করা Search Hidden files

উইন্ডোজ এক্সপিতে সিস্টেম ফাইল বা হিডেন ফাইল সার্চ করেও পাওয়া যায় না। কমপিউটারের বিভিন্ন ড্রাইভ এবং ফাইলে থাকার পরও তা খুঁজে পাওয়া যায় না। এক্সপিতে সিস্টেম ফাইল কিংবা হিডেন ফাইল খুঁজে পাওয়া সম্ভব। এজন্য প্রথমে Start মেনু থেকে Search-এ গিয়ে All files and folders-এ Click করতে হবে। এবার More advanced অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর সিস্টেম ফাইল এবং হিডেন ফাইলের জন্য Search System folders এবং Search hidden files and folders চেকবক্সে ক্লিক করতে হবে।

পেন ড্রাইভের ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করা

আমাদের প্রায় সবারই পেনড্রাইভ আছে। অনেক সময় আমরা দেখি ইউজার তার নিজের পছন্দের ছবি তার পেনড্রাইভের ব্যাকগ্রাউন্ডে দিয়ে রাখে। এটা আমরা খুব সহজেই করতে পারি। তার জন্য পেন ড্রাইভে একটা desktop.ini ফাইল থাকতে হবে। এর জন্য আপনাকে নোটপ্যাড খুলতে হবে। এরপর নিচের কোডটুকু লিখুন এবং শেষে “=” এর পর কোন স্পেস ছাড়া আপনার পছন্দের ছবিটার নাম এক্সটেনশনসহ লিখুন। এবার এটি সেভ করুন desktop.ini নামে। এবার যে ছবিটা আপনি ব্যাকগ্রাউন্ডে দিতে চান সেটি কপি করে পেন ড্রাইভে পেস্ট করুন। ব্যাস হয়ে গেল ব্যাকগ্রাউন্ড চেঞ্জ। এবার আপনার ছবি এবং এই ফাইলটা হিডেন করে রাখুন।
[{BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}]
IconArea_Image=
#[{BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}]
IconArea_Image=
শেষে এই লাইনটুকু যোগ করুন তাহলে কালো ছবির মাঝে ফাইল ফোল্ডার এর নাম স্পষ্ট দেখতে পাবেন। আপনি ইচ্ছা করলে লিখার রং বদল করতে পারবেন
iconarea_text=0×00FFFFFF

উইন্ডোজের পাসওয়ার্ড রিকভার (win password Recover)

উইন্ডোজের পাসওয়ার্ড ভুললে যা করতে হবে
কম্পিউটারের নিরাপত্ত্বার জন্য উইন্ডোজ বা বায়োস পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা হয়। এ জন্য কোন কোন সময় নতুন করে উইন্ডোজ ইনষ্টলও করতে হয়। কিন্তু সেক্ষেত্রে অনেক তথ্য হারাতে হতে পারে কিংবা অনেক প্রয়োজনীয় ইনষ্টল করা প্রোগ্রাম থাকতে পারে যা হয়তো ব্যাকআপে নেই। সেক্ষেত্রে পুরানো উইন্ডোজই পেতে হবে যেকোন উপায়ে। পুরাতন পাসওয়ার্ড না পেলেও পাসওয়ার্ড মুছে দেওয়া সম্ভব।

কম্পিউটারের সিস্টেমে (বায়োস) দেওয়া পাসওয়ার্ড মুছতে হলে সিস্টেমের ব্যাটারী কিছুক্ষণ খুলে রাখতে হবে। কিছুক্ষন পর আবার ব্যাটারীটি সিস্টেমে লাগাতে হবে। এর পর কম্পিউটার অন করলে দেখা যাবে সিস্টেমের কোন পাসওয়ার্ড নেই।

উইন্ডোজের পাসওয়ার্ডের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি উপায় আছে।
কম্পিউটারের ড্রাইভ ফরমেট FAT এর ক্ষেত্রে প্রথমে কম্পিউটারের হার্ডডিক্সটি খুলে অন্য একটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করতে হবে। এর পর যে ড্রাইভে উইন্ডোজ ইনষ্টল করা আছে সেই ড্রাইভে windows>system32>config ফোল্ডারের sam ফাইলটি মুছে দিতে হবে। এবার কম্পিউটারে হার্ডডিক্স লাগিয়ে চালু করলে পাসওয়ার্ড ছাড়া আগের ইউজারেই কম্পিউটার খুলছে।
আর কম্পিউটারের ড্রাইভ ফরমেট যদি NTFS হয় তাহলে উইন্ডোজ রিপিয়ারের মাধ্যমে পাসওয়ার্ড মুছতে হবে।এর জন্য প্রথমে উইন্ডোজ এক্সপির বুটেবল সিডি নিয়ে তা সিডি রমে প্রবেশ করতে হবে (প্রয়োজনে বায়সে প্রথম বুট হিসাবে সিডি রম সিলেক্ট করুন)। এরপর যখন Press any key to boot from CD আসবে তখন যেকোন কী চাপতে হবে তাহলে ফাইল লোডিং শুরু হবে। এবার Welcome to Setup screen থেকে ENTER এবং F8 চাপতে হবে। পরবর্তী স্ক্রিন থেকে রিপিয়ার করার জন্য R চাপতে হবে। এরপর ফাইল কপি হবার পরে কম্পিউটার সয়ংক্রিয়ভাবে রিস্টার্ট হবে। এরপর যখন কম্পিউটার ওপেন হবে তখন Press any key to boot from CD না চাপলে ইনষ্টলের পরবর্তী অংশ শুরু হবে। এখন প্রসেস বার আসার পরপরই Shift+F10 চাপতে হবে তাহলে কমান্ড কনসল আসবে। এখানে NUSRMGR.CPL লিখে ENTER দিতে হবে তাহলে User Accounts ডায়ালগ বক্স আসবে। এখান থেকে ইচ্ছেমত ইউজারের পাসওয়ার্ড মুছে ফেলা যাবে বা পরিবর্তন করা যাবে। অবশেষে উইন্ডোজ রিপিয়ার শেষ করতে হবে।

সফটওয়্যার ছাড়াই অডিও/ভিডিও ফাইল যুক্ত করা

বিভিন্ন কারণে একাধিক ভিডিও ফাইল একসাথে যুক্ত করার প্রয়োজন পরে। আর একাধিক ভিডিও ফাইল সফটওয়্যার ছাড়াই একসাথে যুক্ত করা সম্ভব।
প্রথমে নোটপ্যাড খুলে copy /b *.mpg AllMovies.mpg লিখে (.mpg এক্সটেনশনের জন্য) যে ফোল্ডারে ভিডিও ফাইলগুলো আছে সেই ফোল্ডারে Merger.Bat নামে সেইভ করতে হবে। এবার Merger.Bat ফাইলটি চালু করলে উক্ত ফোল্ডারের থাকা .mpg এক্সটেনশন যুক্ত সকল ভিডিও ফাইল কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে AllMovies.mpg নামে একটি ভিডিও ফাইল আকারে তৈরী হবে। অন্য এক্সটেনশন যুক্ত ভিডিও ফাইলের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র নোটপ্যাডের কোড থেকে *.mpg পরিবর্তন করলেই হবে। এবার ফাইলটি যেকোন ভিডিও প্লেয়ারে চালালে অক্ষরের ক্রমবিন্যাস অনুসারে গানগুলো চলবে।
শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কতগুলো ভিডিও ফাইল নিজে সাজিয়ে একত্রিভূত করতে চাইলে প্রথমে নোটপ্যাড খুলে copy /b AVSEQ03.mpg+ AVSEQ02.mpg+AVSEQ01.mpg AllMovies.mpg লিখে ভিডিওগুলো যে ফোল্ডারে আছে সেই ফোল্ডারে Merger.Bat নামে সেভ করতে হবে। এরপর সেভ করা ফাইলটি চালু করতে হবে। তাহলে উক্ত ফোল্ডারে থাকা AVSEQ03.mpg ,AVSEQ02এবং AVSEQ01.mpg ফাইল তিনটি AllMovies.mpg নামে তৈরী হবে। এখানে প্রথমে AVSEQ03.mpg ফাইলটি , পরে AVSEQ02.mpg ফাইলটি এবং শেষে AVSEQ01.mpg ফাইলটি আসবে। এভাবে আরো অনেক ফাইল একসাথে যুক্ত করা যায়।
একই ভাবে .mp3 ফাইলও যুক্ত করা যায়। এক্ষেত্রে .mpg এর স্থানে .mp3 এবং AllMovies.mpg এর স্থানে AllSongs.mp3 লিখতে হবে।

মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১০

হিরেন বুট সিডি: HBCD গোস্ট দ্বারা কয়েক মিনিটে উইন্ডোজ ইনস্টল

নরটন গোস্ট দ্বারা সহজেই উইন্ডোজসহ অনান্য সফটওয়্যার ইনস্টল করা যায় মাত্র করেক মিনিটে। এজন্য গোস্টের সফটওয়্যার প্রয়োজন। হিরেন বুট সিডিতে নরটন গোস্টসহ মিনি এক্সপি থাকাতে সহজেই (গ্রাফিক্যাল মুডে) এই কাজটি করা যায়।
প্রথমে কম্পিউটারে (C: ড্রাইভে) উইন্ডোজ ইনস্টল দিন এবং উইন্ডোজ চালু করে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করে দরকারী সকল সফটওয়্যার ইনস্টল করুন। এবার হিরেন বুট সিডি কম্পিউটারে প্রবেশ করিয়ে রিস্টার্ট করুন। বুট মেনু আসলে থেকে Mini XP নির্বাচন করে এন্টার চাপুন তাহলে মিনি এক্সপি লোড হবে।
ডেক্সটপ থেকে HBCD Menu চালু করে Menu থেকে Backup>Ghost 32* চালু করুন। কোন সতর্ক বার্তা আসলে OK করে About বার্তাতেও Ok করতে হবে। তাহলে নরটন গোস্ট চালু হবে।
ইমেজ তৈরী করতে নরটন গোস্টের মেনু থেকে Local>Partition>To Image নির্বাচন করে Ok করুন। এখন যে ড্রাইভের (C ইমেজ তৈরী করতে চান সেটি নির্বাচন করে Ok করুন এবং অন্য একটি ড্রাইভে নাম লিখে সেভ করুন। এখন ফাইলটি কমেপ্রস সংক্রান্ত (No | Fast | High) ম্যাসেজ আসবে (এখানে No করলে কমেপ্রস হবে না কিন্তু কম সময় লাগবে, Fast করলে দ্রত কম্পেস হবে এবং কিছুটা ধীর গতিতে কাজ করবে এবং High করলে অধিকতর কমেপ্রস হবে এবং বেশী ধীর গতি হবে )। এরপরে Proceed ম্যাসেজে YES করলে কপি শুরু হবে এবং কিছুক্ষণের মধ্যে কপি সম্পন্ন হবে।
যে কম্পিউটারে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে (ইমেজ রিস্টোর করতে) চান সেই কম্পিউটার হিরেন বুট সিডি দ্বারা চালু Mini XP চালু করুন। প্রয়োজনে মিনি এক্সপি থেকে সি ড্রাইভ ফরম্যাট করে নিতে পারেন।
এবার ডেক্সটপ থেকে HBCD Menu দ্বারা Ghost 32* চালু করে নরটন গোস্টের মেনু থেকে Local>Partition>From Image নির্বাচন করে Ok করুন। এখন ডিক্স নির্বাচন করে যে পার্টিশনে (C ইনস্টল করতে চান সেটি নির্বাচন করে Ok করুন। এরপরে Proceed ম্যাসেজে YES করলে কপি শুরু হবে এবং কিছুক্ষণের মধ্যে উইন্ডোজ কপি সম্পন্ন হবে।

অবশেষে কম্পিউটার রিস্টার্ট করে সিডি বের করুন এবং উইন্ডোজ ব্যবহার করুন। উইন্ডোজে অধিক সফটওয়্যার ইনস্টল করলে ইমেজ ফাইলটির সাইজ বেশী হবে। যে কম্পিউটারে ইমেজ রিস্টোর করবেন সেই কম্পিউটারের ড্রাইভের সাইজ লক্ষ্য রাখা উচিত। সি ড্রাইভ ইমেজ করে উক্ত ইমেজ নতুন কম্পিউটারে সি ড্রাইভে রিস্টোর না করলে উইন্ডোজ বুট হবে না। কারণ বুট ফাইল সি ড্রাইভের। সেক্ষেত্রে ম্যানুয়ালী বুট ফাইল পরিবর্তন করতে হবে।

Download করুন

সূত্র-সমকাল দর্পন

হিরেন বুট সিডি: উইন্ডোজের পাসওয়ার্ড উদ্ধার Win Password recover

হিরেন বুট সিডি: উইন্ডোজের পাসওয়ার্ড উদ্ধার

উইন্ডোজের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে হিরেন বুট সিডির জুড়ি নেই। হিরেন বুট সিডির প্রায় ২০০টির মত টুলসের মধ্যে পাসওয়ার্ড রিকভার অন্যতম। হিরেন বুট সিডির এই টুলস দ্বারা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের যে কোন ইউজারের পাসওয়ার্ড মুছে ফেলা করা যায়।
এজন্য প্রথমে হিরেন বুট সিডি কম্পিউটারে প্রবেশ করিয়ে চালু করুন। তাহলে হিরেন বুট মেনু আসবে। ধাপ ১: Start Hiren’s BootCD নির্বাচন করে এন্টার করুন তাহলে হিরেন বুট সিডি চালু হবে।
ধাপ ২: Password & Recovery Tools… নির্বাচন করে এন্টার করুন।
ধাপ ৩: Active Password Change XP+ নির্বাচন করে এন্টার করুন এবং কোন ওয়ার্নিং ম্যাসেজ আসলে YES করুন।
ধাপ ৪: MS SAM (পাসওয়ার্ড ডেটাবেস) ফাইল খুঁজে বেড় করতে ২ চাপুন (অথবা Logical Drive জানা থাকলে ১ চেপে নির্বাচন করেও খোঁজা যায়), তাহলে SAM (পাসওয়ার্ড ডেটাবেস) ফাইল খুঁজে পাওয়া যাবে। কম্পিউটারে একাধিক উইন্ডোজ ইনস্টল দেওয়া থাকলে একাধিক ড্রাইভের SAM ফাইল লোকেশন আসবে। এবার নির্বাচন করে এন্টার করুন তাহলে উক্ত উইন্ডোজের সকল ইউজার দেখা যাবে।
ধাপ ৫: যে ইউজারের পাসওয়ার্ড মুছে ফেলতে চান সেটি (নম্বর) নির্বাচন করে এন্টার করুন।
ধাপ ৬: নিচের Clear this User’s Password নির্বাচন করে কীবোর্ড থেকে Y চাপুন। তাহলে পাসওয়ার্ড মুছে যাবে এবং নিচে নিশ্চিতকরন ম্যাসেজ আসবে।
ধাপ ৭: Esc চেপে বেড় হয়ে আসুন এবং Restart লিখে এন্টার করে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
এবার উইন্ডোজে লগইন করার সময় উক্ত ইউজার পাসওয়ার্ড ছাড়ায় লগইন হবে

সূত্র-সমকাল দর্পন

মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ, ২০১০

সহজেই তৈরী করুন Multiboot CD / DVD

Multiboot CD/ DVD

সহজেই তৈরী করুন multiboot DVD (একাধিক মেনু সম্বলিত ইন্সটলেশন ডিভিডি/সিডি)

আমরা অনেকেই ভাবি যে একটি ডিভিডি বা সিডির মধ্যে অধিক সফটওয়্যার ভরে ফেলে সিডির সংখ্যা কমিয়ে ফেলার কথা। কিন্তু যখন সেটা বুটেবল সিডি হয় তখন একাধিক সিডি একত্রিকরন প্রক্রিয়া টি জটিল হয়ে দাঁড়ায়। আজ আমি সেটাই সহজ ভাবে উপস্থাপন করব। আজকের এক্সপেরিমেন্ট এ আমি সাধারন সিডি ব্যবহার করেছি, তবে আপনারা ইচ্ছা করলে ডিভিডি ও ব্যবহার করে আরও বেশী বুটেবল সিডি একত্রিত করতে পারবেন। আজকের টিউটরিয়ালে আমাদের যা যা লাগবে তা হলঃ
১। এরো স্টুডিও ২০০৭ [Aero Studio 2007] অথবা [Aero Studio 2008]
২। আই এস ও এডিটর, অনেক ধরনের সফটওয়্যার দিয়েই এই কাজ করা যায় (আই এস ও ফাইল এ ফাইল এড করা এবং বাদ দেওয়া) আমি এক্ষেত্রে ব্যবহার করেছি পাওয়ার আই এস ও ।
৩। বুটেবল সিডি, এক্ষেত্রে আমি ব্যবহার করেছি, ম্যাক্রিয়াম রিফ্লেক্ট রেস্কিউ ডিস্ক এবং এক্সপি সার্ভিস প্যাক থ্রি সেট আপ ডিস্ক।
কাজ শুরু করার আগে বলে রাখা প্রয়োজন, এই একই কাজ বিভিন্ন ভাবে করা যায়, পাওয়ার আই এস ও ব্যবহার না করেও অন্য ISO Edit Software দিয়ে ও বুট ফাইল এক্সট্রাক্‌ট করে এই কাজ করা সম্ভব ।
উপরোক্ত সব গুলো সংগ্রহের পর চলুন কাজ শুরু করে দেই।
প্রথমেই আমাদের দরকার প্রয়োজনীয় ফাইল গুলি সংগ্রহ করা। শুরু করা যাক এক্সপি সেট আপ ডিস্ক দিয়ে। এক্সপি সেট আপ ডিস্ক সিডি রম ড্রাইভে ভরে ওটাকে আই এস ও ইমেজ এ পরিনত করি।

আই এস ও ফাইল টিকে একটি নির্দিষ্ট ফোল্ডারে D:\My lab\Bootable Image\
XP3.iso নামে সেভ করে রাখি।
এবার power ISO দিয়ে ফাইল টার কন্টেন্ট গুলো D:\My lab\Bootable Image ফোল্ডারে এক্সট্রাক্ট করে নেই(এই কাজ Win RAR ,7zip এর মত অনেক সফটওয়্যারই করতে পারে)।

এখন যেহেতু আই এস ও এর কন্টেন্ট আপনি অলরেডি Bootable Image ফোল্ডারে চালান করে দিয়েছেন, কাজেই এ গুলোর আর আই এস ও ফাইলের মধ্যে থাকার দরকার নেই। তবে বুটেবল ইনফরমেশন সহ কিছু ফাইল আই এস ও তে রেখে দিতেই হবে যেটা আমাদের এরো স্টুডিও কাজে লাগাবে, তাই শুধু মাত্র ফোল্ডার গুলো আই এস ও এডিটর(এই ক্ষেত্রে Power ISO) দিয়ে ডিলিট করে ফেলুন।

এবার এই আই এস ও ফাইল টাকে সেভ করে ফেলি।
উইন্ডোজ এক্সপি এর প্রয়োজনীয় ফাইল সংগ্রহের পালা শেষ এবার দ্বীতিয় বুটেবল সিডি এর ফাইল সংগ্রহ করতে হবে। এই ক্ষেত্রে আমি ব্যবহার করেছি ম্যাক্রিয়াম এর রেস্কিউ সিডি। ম্যাক্রিয়াম রিফ্লেক্ট নামের এই সফটওয়্যার টি কিন্তু চমতকার, এটি একটি ফ্রি সফটওয়্যার, এটির মাধ্যমে, উইন্ডোজ চলাকালীন সময়ে আপনি আপনার সিস্টেম ড্রাইভের ইমেজ গ্রহন ও পরবর্তি তে রেস্কিউ সিডি ব্যবহার করে তা অল্প সময়ের মধ্যে (মাত্র ৫ মিনিট , অবশ্য যদি ড্রাইভ টিতে মাত্র ১০ গিগাবাইট ডাটা থাকে) তা রিস্টোর করে নিতে পারবেন। এখন এই রেস্কিউ সিডির আই এস ও ফাইল টি নিয়ে মুলত একই কাজ করতে হবে। কন্টেন্ট এক্সট্রাক্ট করতে হবে ঐ একই যায়গায় অর্থাৎ c:\sumon\bootableImage\ (এই আই এস ও টি মাত্র ৭ মেগাবাইটের, আর কন্টেন্ট বলতে isolinux নামের একটি মাত্র ফোল্ডার)। এরপর ইমেজ(Rescue.iso) এর ভিতর হতে ISOLINUX ফোল্ডার টি ডিলিট করে দেই, এবং আই এস ও ফাইল টি সেভ করি।


এবারে আমরা এরো স্টুডিও ওপেন করি। এবার ফরম্যাট মেনু হতে সেটিংস এ ক্লিক করে আমাদের বুট পেজ এর ব্যাক গ্রাউন্ড সিলেক্ট করি। ব্যাক গ্রাউন্ড আগে হতেই নিজের মত এডিট করে রাখতে পারেন ।


এবারে কন্ট্রোল মেনু হতে বাটন এ ক্লিক করে বাটন বসাই। এক্ষেত্রে আমরা তিনটি বাটন ব্যবহার করেছি একটি ম্যাক্রিয়াম রেস্কিউ সিডি, একটি এক্সপি থ্রি চালানোর জন্য, এবং অন্যটি হার্ড ডিস্ক হতে বুট আপ করার জন্য।
বাটন গুলির কনফিগারেশন যথাক্রমে নীচের চিত্রের মত হবেঃ

যারা এক্সপি থ্রি এর পরিবর্তে এক্সপি ২ এর সেট আপ ডিস্ক নিয়ে কাজ করছেন, তারা এই আই এস ও বানানোর প্রক্রিয়াকে বাদ দিয়ে শুধু কন্টেন্ট গুলো কপি করে নিবেন।

যারা এক্সপি ২ ডিস্ক বানাচ্ছেন(এক্সপি থ্রি) এর পরিবর্তে, তারা নিচের কনফিগারেশনে লিখবেনঃ

bcdw (cd)/i386/setupldr.bin এবং আপনারা xp3.iso এর মত xp2.iso ফাইলটি তৈরী করার প্রয়োজন নেই।
এবার মেনু জেনারেট করার পালা,

এরপর এর উইন্ডো তে সব গুলো ঘর পুরন করিঃ

Go বাটনে ক্লিক করার সাথে সাথেই মেনু জেনারেট হয়ে যাবে, তারপর “Cancel” বাটনে ক্লিক করলে আমরা আগের উইন্ডো তে ফিরে যাবো।
এবারে মেনু ডেপ্লয় করার পালা তা করতে নীচের চিত্রে যেভাবে দেখানো আছে তা অনুসরন করিঃ

এবার যে উইন্ডো টি আসবে তা যথাক্রমে পুরন করিঃ
এবার সব শেষে আই এস ও ফাইল অথবা সিডি তে রেকর্ড করার পালা।

আমি প্রথমে আই এস ও ফাইল তৈরী করেছি এবং পরে তা নেরো এর মাধ্যমে একটি সিডি আর ডাব্লিউ অর্থাৎ রি রাইটেবল সিডি তে বার্ন করে পরীক্ষা মুলক ভাবে সিডি টি রম ড্রাইভে রেখে কম্পিউটার বুট করে দেখেছি তা ঠিক মত কাজ করে কিনা। এবং তা কাজ করেছে।আশা করি আপনারাও সফল হবেন। ডিভিডি তৈরীর প্রক্রিয়াটি অনেকটা একই রকম। আশা করি আপনাদের এই টিউটরিয়াল ফলো করতে সমস্যা হবেনা। সমস্যা যদি হয়েই যায়, অবশ্যই আমাকে জানাতে ভুলবেন না।


আর একটা কথা , এখানে যে আই এস ও ব্যবহার করা হয়েছে, তা কিন্তু সম্পুর্ন সিডি এর ইমেজ নয়, ইমেজ টাকে কেটে ছেটে নেওয়া হয়েছে, আসল কন্টেন্ট রাখা হয়েছে হোম ফোল্ডারে, আর আই এস ও তে থেকে যাচ্ছে বুটেবল ইনফরমেশন সহ নির্দিষ্ট কিছু ফাইল।মুলত এখানে আই এস ও ফাইল টাকে শুধু মাত্র বুট ইনফরমেশন ও তার সাথে সংশ্লিষ্ট কিছু গুরুত্বপুর্ন ফাইল ধরে রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। লক্ষ্য করে দেখুন আই এস ও এর সাইজ মাত্র ৫৪ কিলোবাইট, কিন্তু আসল সিডি এর আই এস ও ইমেজ ছিল ৫৯৫ মেগাবাইট এর মত। আর এই ধরনের এক্সপেরিমেন্ট আপনারা যদি CD-RW বা DVD-RW দিয়ে করেন, তাহলেই ভালো হয়, খামোখা ডিস্ক নস্ট হবার ঝুকি থাকে না।

আসলে যে কোন বুটেবল ডিস্ক এর আই এস ও ইমেজ ই আপনি ব্যবহার করতে পারেন, সে ক্ষেত্রে হিরেন বুট এর সঠিক ভাবে তৈরী আই এস ও ইমেজ থাকলে, bcdw (cd)/Hiren.iso
লিখলেই তো হবে।

Windows Xp এবং Vista এর Customizing CD সিডি তৈরী করুন

Windows Xp এবং Vista এর Customizing CD সিডি তৈরী করুন
বিভিন্ন সময়ে আমরা উইন্ডোজ ইনষ্টল করে থাকি। উইন্ডোজ এক্সপি ইনষ্টল করতে গেলে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন তথ্য দিতে হয়। এর মধ্যে সিরিয়াল নম্বর, এডমিনিষ্ট্রেটরে পাসওয়ার্ড, কম্পিউটারের নাম ইত্যাদি। যা অনেক সময় বিরক্তিকর এবং সময় সাপেক্ষ হয়। কিন্তু আপনি যদি উইন্ডোজ এক্সপির কাষ্টমাইজ সিডি তৈরী করে রাখেন তাহলে প্রতিবার ইনষ্টল করার সময় এসব তথ্য দিতে হবে না। আপনার কাস্টমাইজ সিডি থেকে আপনা আপনি এসব তথ্য ব্যবহৃত হবে। এজন্য আপনাকে আগে উইন্ডোজ এক্সপির কাস্টমাইজ সিডি তৈরী করতে হবে।

এনলাইট সফটওয়্যার দ্বারা আপনি উইন্ডোজ এক্সপির কাস্টমাইজ সিডি তৈরী করতে পারেন। ২.৫৪ মেগাবাইটের ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যারটি www.nliteos.com থেকে ডাউনলোড করে ইনষ্টল করে নিন। এজন্য আপনার কম্পিটউটারে মাইক্রোসফটের ডট নেট ২.০ সংস্করণ ইনষ্টল থাকতে হবে। প্রথমে এনলাইট সফটওয়্যারটি চালু করুন এবং ইংরেজী ভাষা নির্বাচিত রেখে Next বাটনে ক্লিক করে Location the Windows installation উইন্ডো থেকে Browse বাটনে ক্লিক করে আপনার কম্পিউটারে থাকা উইন্ডোজের লোকেশন (সরাসরি সিডি থেকে না ) দেখিয়ে দিন তাহলে উইন্ডোজের সকল তথ্য চলে আসবে।এবার Next বাটনে ক্লিক করে আবার Next বাটনে ক্লিক করুন।
এবার Task Selection এ All বাটনে ক্লিক করে Next করুন। Service Pack উইন্ডোতে আপনি চাইলে এক্সপির সার্ভিস প্যাক যুক্ত করতে পারেন Select বাটনে ক্লিক করে।
এরপরে Next করে Hotfixes, Add-ons and Update Packs উইন্ডো থেকে Advanced বাটনে ক্লিক করে ইনেবল করতে পারেন।
এরপরে Next করে Drivers উইন্ডো থেকে প্রয়োজনীয় ড্রাইভার (প্রিন্টার, ল্যান, গ্রাফিক্স, সাউন্ডকার্ড ইত্যাদি) Insert করতে পারেন।
এবার Next করে করে Components উইন্ডো থেকে প্রয়োজনীয় কম্পোনেন্টগুলো নির্বাচন করুন এবং Next করুন।
এরপরে Unattended উইন্ডোর বিভিন্ন ট্যাব থেকে আপনার ইচ্ছামত কাস্টমাইজ করুন (থীম, সিরিয়াল নম্বর, এ্যাডমিনিষ্ট্রেটরে পাসওয়ার্ড, কম্পিউটারের নাম, সময় ইত্যাদি)।
এখন Next করে Options উইন্ডো থেকে প্রয়োজনবোধে বিভিন্ন অপশনস পরিবর্তন করতে পারেন।
এবার Next করে Tweaks উইন্ডো থেকে প্রয়োজনীয় টোয়ীক এবং সার্ভিস নির্বাচন করে Next বাটনে ক্লিক করলে Do you want to start the process? আসবে।
এখন Yes করলে প্রসেস শুরু হবে। প্রসেস শেষ হলে Next করলে Bootable ISO উইন্ডো আসবে। এখান থেকে আপনি সরাসরি সিডিতে রাইট করতে পারবেন বা বুটেবল ইমেজ তৈরী করতে পারবেন পরবর্তিতে রাইট করার জন্য। বুটেবল ইমেজ তৈরী করতে Mode এ Create Image নির্বাচন করে Label লিখে Make ISO বাটনে ক্লিক করুন।
এবার নির্দিষ্ট লোকেশন দেখিয়ে Save করুন।

ব্যাস এরপরে উক্ত ইমেজ সিডিতে রাইট করলেই হয়ে গেলো আপনার কাস্টমাইজ উইন্ডোজ এক্সপি।

এরপর থেকে আরো সহজে কাস্টমাইজ এক্সপি ইনষ্টল করতে পারবেন। আর উইন্ডোজ ভিসতাকে কাস্টমাইজ করতে আপনাকে ভিলাইট www.vlite.net ব্যবহার করতে হবে।

Win XP Win Vista & Win 7 এর Bootable USB

খুব সহযেই USB Device থেকে Windows Xp Windows Vista windows 7 Setup দিন এবং Live USB তৈরী করুন । এর জন্য যা করতে হবে তা হল এই লিংক থেকে WinToFlash Software টি download করতে হবে। এটি Portable Software তাই Download করে রান করুন এবং USB port এ আপনার পেনড্রাইভ টি লাগান ।
বাকী কাজ আপনারা নিজ থেকেই পারবেন
আর একটি কথা কাজ শুরু করার পুর্বে পেনড্রাইভ টি Format করে নিন ।
সমস্যা হলে আমাকে মেইল করুন -johnautomation2@gmail.com


Windows Live CD

Live CD কি সেটা আমার মনে হয় সবাই জানেন। তার পর ও বলছি, এই সিডিগুলো থেকে অপারেটিং সিস্টেম সরাসরি লোড হতে পারে। এর ফলে আপনি ইনস্টল না করেই কোন একটা অপারেটিং সিস্টেমের ফীচারগুলো দেখতে পারবেন। যারা পিসি ট্রাবলশুটিংয়ের কাজ করে তাদের জন্য উইন্ডোজ এক্সপির লাইভ সিডি একটি খুবই প্রয়োজনীয় জিনিস। অনেক সময় পিসি চলাকালীন বিদ্যুৎ চলে গেলে পরেরবার আর উইন্ডোজ রান হয় না। "Inaccessible Boot Device" এরর দেখায়। বিশেষ করে ইউন্ডোজ ২০০০ এ এই সমস্যাটা বেশি দেখা যায়। এই ক্ষেত্রে এক্সপির লাইভ সিডি দিয়ে পিসি বুট করে কমান্ড প্রম্পট থেকে chkdsk/f c: চালালেই সমাধান হয়ে যায়। এছাড়া ও ধরুন, ভাইরাস বা অন্য কারণে উইন্ডোজ ক্র্যাশ করেছে। C: ড্রাইভ ফরম্যাট করতে হবে। কিন্তু C: ড্রাইভে আপনার কিছু ডেটা রয়ে গেছে। এই ক্ষেত্রে লাইভ সিডি দিয়ে পিসি বুট করে ডেটাগুলো C: থেকে কপি করে অন্য ড্রাইভে সরিয়ে নিতে পারেন। যাইহোক, এই রকম অনেক কাজেই লাইভ সিডির প্রয়োজন হয়।
খুব সহজেই আপনি উইন্ডোজ এক্সপির একটা লাইভ সিডি তৈরী করতে পারেন। এজন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরন করুন:
১. এই লিংক থেকে Pebuilder সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন।
২. Internet থেকে xpe-1.0.7.cab ফাইলটি ডাউনলোড করুন। Google search দিলেই পেয়ে যাবেন।
৩. Windows XP এর সেটাপ সিডিটি সিডি ড্রাইবে দিন। Pebuilder চালু করুন। Source: এ সিডিরমটি সিলেক্ট করে দিন। Output: এ লিখুন XPLIVECD। Media output: এ Create ISO image সিলেক্ট করে ISO ইমেজটি কোথায় সেব হবে তা দেকিয়ে দিন।
৪. Plugins বাটনে ক্লিক করুন। Add বাটনে ক্লিক করে একটু আগে ডাউনলোড করা
xpe-1.0.7.cab ফাইলটি দেখিয়ে দিন। OK করুন। প্লাগইন লিস্ট থেকে nu2shell এ ক্লিক করুন। দেখবেন এটি এনাবল অবস্থায় আছে। Enable/Disable বাটনে ক্লিক করে nu2shell কে ডিজেবল করে দিন। একইভাবে Startup Group কে ও ডিজেবল করে দিন। Close বাটন ক্লিক করুন। এই ধাপটা একটু সতর্কতার সাথে করুন যেন ভুল না হয়।
৫. এবার Build বাটনে ক্লিক করুন। এক্সপির লাইভ সিডির ISO ফাইল তৈরী হওয়া শুরু হবে। এই ধাপে কিছুক্ষন সময় লাগবে। অপেক্ষা করুন। কাজ ঠিকঠাক মত শেষ হয়ে গেলে আপনি Pebuilder.iso নামে একটা ফাইল পাবেন(ISO ইমেজ যেখানে সেভ হওয়ার জন্য দেখিয়ে দিয়েছিলেন)। এইধাপে সাধারনত কোন সমস্যা হওয়ার কথা না।
৬. Pebuilder.iso ফাইলটাকে Nero বা কোন সিডিবার্নিং সফটওয়্যার দিয়ে ইমেজ হিসেবে সিডিতে রাইট করুন। খেয়াল রাখবেন ডাটা সিডি হিসেবে রাইট করলে কিন্ত কাজ করবে না।
হয়ে গেল আপনার Windows XP Live CD। এবার সিডিটি সিডিরমে রেখে BIOS এ 1st Boot CD সিলেক্ট করলেই কাজ হয়ে যাবে।
আরো জানার জন্য মেইল করতে পারেন johnautomation2@gmail.com

Windows Key) এর ব্যবহার

আমারা আজ উইন কি এর ব্যবহার শিখব
যোদিও আমার অনেকেই জানি
আজ আমার বিষয় টি যারা আমার মত নবিন তাদের জন্য
  • Windows: Start menu দেখাবে
  • Windows + D: সকল windows মিনিমাইজ ও ম্যাক্সিমাইজ হবে
  • Windows + E: Windows Explorer দেখাবে
  • Windows + F: Search for files দেখাবে
  • Windows + F1: Help and Support Center ডিসপ্লে করবে
  • Windows + L: workstation লক হেব
  • Windows + Q: ইউজারের Quick switching হবে (Powertoys only)
  • Windows + R: Run dialog box চালু হবে
  • Windows + break: System Properties dialog box ডিসপ্লে করবে
  • Windows + shift + M: সকল windows মিনমাইজ আনডু হবে
  • Windows + U: Utility Manager ওপেন হবে
  • Windows + Q: Windows Key চেপে হোল্ড করে Q চাপলে বিভিন্ন ইউজার স্ক্রল হবে
  • Windows + Ctrl + F: Search for computer দেখাবে