বুধবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১০

গুগলে নিজের ওয়েবসাইট যুক্ত করা

গুগল খুলে কোন বিষয় লিখে সার্চ বাটনে ক্লিক করলেই সেই সম্পের্ক তথ্য দিচ্ছে গুগল। নিজের তৈরি করা ওয়েবসাইট গুগলে যুক্ত করলে কেমন হয়? হ্যা করা যায় কোন খরচ বা ঝামেলা ছাড়াই। তাতে অন্যে নিজের তৈরি করা ওয়েবসাইটের বিষয় খুঁজে পাবে। অর্থাৎ গুগলে নিজের ওয়েবসাইটের দেওয়া পছন্দের কীওয়ার্ড দ্বারা সার্চ করলে নিজের তৈরি ওয়েবসাইটের তথ্যসহ ওয়েবসাইটের ঠিকানা চলে আসবে। ইংরেজীর পাশাপাশি বাংলাতে কীওয়ার্ড লেখা যায় তাতে বাংলাতেও ওয়েব সাইট খুঁজে পাওয়া যাবে। এজন্য প্রথমে গুগলের এই http://www.google.com/addurl সাইটে ঢুকতে হবে। এরপর URL অংশে নিজের ওয়েবসাইটের ঠিকানা দিতে হবে। তবে এখানে একটি জিনিস লক্ষ করতে হবে যে www. (যদি থাকে) এর পূর্বে অবশ্যই http:// দিতে হবে অর্থ্যাৎ http://www.hasanptpi.wordpress.com লিখতে হবে। এবার Comments: অংশে কীওয়ার্ড লিখতে হবে। Comments অংশে নিজের নাম এবং ওয়েবসাইট সম্পের্ক আনুসাঙ্গিক তথ্য দেওয়া যাবে। এরপরে Optional অংশের ছবিতে থাকা টেক্সট নিচের টেক্সট বক্সে লিখে Add URL বাটনে ক্লিক করলে নিজের ওয়েবসাইটটি যুক্ত হয়েছে নিশ্চিত করবে। এই মূহুর্তে সার্চ করলে সাইটটি পাওয়া যাবে না। কয়েক দিন পরে সার্চ করলে পাওয়া যাবে

ভাইরাসের আক্রমনে সর্তকতা ৩

সর্তকতা
কম্পিউটারকে ভাইরাসের আক্রমন হতে রক্ষা করার জন্য সর্তকতার কোন বিকল্প নেই। আগে আমরা দেখি ভাইরাস ছড়ায় কেমন করে। কোন ভাইরাজই নিজ খেকে সক্রিয় হতে পারে না, ভাইরাস প্রোগ্রাম সক্রিয় হবার জন্য বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে এবং আমরা এই সকল ভাইরাসের ধোকায় পরে নিজেদের অজানতেই ভাইরাস প্রগ্রামকে সক্রিয় করে ফেলি।ভাইরাজ বা ওয়ার্ম প্রগ্রাম ফাইল শেয়ারিং অথবা পেন ড্রাইভের মাধ্যমে ছড়ায় যা আমরা হয়তো অনেকেই দেখেছি। ভাইরাস আক্রান্ত পিসিতে পেনড্রাইভ লাগালে ভাইরাসটি পেনড্রাইভে তার একটা কপি তৈরি করে। আর একটা autorun.inf ফাইল তৈরি করে দেয়। এই আক্রান্ত পেনড্রাইভটি অন্য পিসিতে লাগানোর পর এর সাথে জড়িত যেকোন “Event” ঘটলে (যেমন open বা explore করলে ) autorun.inf ফাইলটি সক্রিয় হয়ে ভাইরাসটিকে Execute করে দেয়। যেমন: কম্পিউটারে পেন ড্রাইভ যুক্ত করলে Autoplay প্রম্পটে আসবে এবং এখান থেকে open বা explore যে অপশনটিই নির্বাচন করি না কেন autorun.inf ফাইলটি সক্রিয় হয়ে ভাইরাসটিকে Execute করে দিবে।তার মানে কোনভাবে এই autorun.inf ফাইলকে তৈরি হতে দেয়া না হলে, ভাইরাস পেনড্রাইভে থাকলেও Execute করবে না।
এখন সমাধান হল আগে থেকে আপনি আপনার পেনড্রাইভে একটা autorun.inf নামে “ফোল্ডার” (ফাইল নয়) তৈরি করে রাখুন। তাহলেই তাকে রিপ্লেস করে আক্রান্ত পিসির ভাইরাসটি নিজস্ব autorun.inf ফাইল তৈরি করতে পারবে না। কারণ, বেশিরভাগ ভাইরাস নির্মাতারা এই বিদঘুটে সমভাবনাটা এড়িয়েই যান।
[সম্পাদনা] * অথবা কম্পিউটারকে ভাইরাসের আক্রমন হতে রক্ষা করার জন্য নিচের কৌশলটিও ব্যবহার করা যেতে পারে।
• পেন ড্রাইভ লাগালে Autoplay প্রম্পট আসবে , এই Autoplay প্রম্পটকে বন্ধ করতে হবে এবং লক্ষ্য রাখতে হবে এই Autoplay প্রম্পটের কোন অপশন যেনো নির্বাচন করা না হয় করণ বেশির ভাগ ক্ষত্রেই ভাইরাজ প্রগ্রাম সক্রিয় হবার জন্য “Windows Explorer” ব্যবহার করে। এই অপশনটি উইন্ডোজ এর ডিফল্ট অপশন, যা ব্যবহার করে আমারা উইন্ডোজের বিভিন্ন ধরনের কাজে ব্যবহার করে খাকি। সেই সুযোগেই এই সকল ক্ষতিকর প্রোগ্রাম আমাদের কম্পউটারের ক্ষতি করার সুযোগ পায়। আমরা নতুন পেন ড্রাইভ কম্পিউটারে লাগিয়ে পেন ড্রাইভ খোলার জন্য “Windows Explorer” ব্যবহার না করে অন্য কোন “Explorer” ব্যবহার করি তবে এই সকল ক্ষতিকর প্রোগ্রাম আমাদের কম্পউটারের ক্ষতি করার সুযোগ পাবে না।
অতিরিক্ত “Explorer” হিসাবে “Win Rar” বেশ ভালো কাজ করে। মনে করুন আপনি আপনার কম্পিউটারে একটি পেন ড্রাইভ ব্যবহার করার জন্য লাগিয়েছেন এখন Autoplay প্রম্পট আসেছে। আপনি সর্তকতার জন্য Autoplay প্রম্পটকে বন্ধ করে দিয়েছেন কিন্তু আপনার পেন ড্রাইভ খুলতে হবে। সে ক্ষত্রে “Win Rar” ওপেন করে Address Bar থেকে Drive Letter (যেমনঃ D:\ বা I:\) টাইপ করে এন্টার দিন ব্যাস আপনার পেন ড্রাইভের ডাইরেক্টরি খুলে যাবে এখন এই ডাইরেক্টরি খেকে প্রয়োজনীয় ফাইলটি নির্বচন করে এন্টার দিলেই ফাইলটি ওপেন হয়ে যাবে। যে পযন্তু আপনি না চাইবেন সে পযন্ত কোন ফাইল বা প্রোগ্রাম নিজ থেকে চালু হবে না।
[সম্পাদনা] * সবসময় সিস্টেম ফাইল Show করুন
ভাইরাসের এক্সিকিউটেবল (*.exe) ফাইলগুলোর Attibute হয় সাধারণত Hidden এবং System File যা সাধারণত Show করা থাকে না। তাই আপনি বুঝতেও পারেননা আপনার পেনড্রাইভে ভাইরাস আছে কিনা। এধরনের ফাইল চিহ্নিত করতে Tools মেনু থেকে Folder Options এ গিয়ে View ট্যাব থেকে Show Hidden Files and Folders রেডিও বাটন সিলেক্ট করুন।এবার ঠিক তার নিচের Hide Extensions for known File Types এবং Hide Protected Operating System Files লেখা দুটি চেকবক্স আনচেক করে Apply দিয়ে Ok করে বেরিয়ে আসুন। এবারে পেনড্রাইভে সন্দেহজনক কোন Hidden এক্সিকিউটেবল (*.exe) ফাইল দেখলে ডিলিট করে দিন।
[সম্পাদনা] * Drive Letter টাইপ করে পেনড্রাইভ খুলুন
ভাইরাস আক্রান্ত বা সন্দেহজনক পেনড্রাইভ কখনোই ডাবলক্লিক করে অথবা রাইট বাটনে ক্লিক দিয়ে (Open বা Explore করে) খুলবেন না। Address Bar থেকে Drive Letter (যেমনঃ D:\ বা I:\) টাইপ করে খুলবেন। এতে ভাইরাস থাকলেও তা আপনার পিসিকে আক্রান্ত করার সুযোগ পাবে না। একইভাবে হার্ডডিস্কের অন্যান্য পার্টিশনে ভাইরাস থাকলে তা ডিলিট করুন এবং পিসি রিস্টার্ট দিন।
[সম্পাদনা] * স্টার্টআপ পরিষ্কার রাখুন
আপনার পিসি Boot করার পর যেসব প্রোগ্রাম লোড করে তা থাকে স্টার্টআপে। নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো ছাড়া অন্যান্য প্রোগ্রামগুলোর চেকবক্স আনচেক করে দিন। এটি আপনি পাবেন উইন্ডোজের Run থেকে msconfig লিখে এন্টার দিলে যে ডায়ালগ বক্স আসবে তার Startup ট্যাব থেকে। এবারে পিসি রিস্টার্ট দিন।
[সম্পাদনা] * অপ্রয়োজনীয় Process দূর করুন
অনেকসময় ভাইরাস ফাইল চিহ্নিত করার পরেও তা ডিলিট করতে গেলে এরর দেয় বা “Access is Denied” দেখায়। এরকম হলে বুঝতে হবে ভাইরাস Process টি বর্তমানে Running অবস্থায় আছে যা আগে বন্ধ করতে হবে। আপনি Ctrl+Alt+Delete চেপে Task Manager থেকে প্রসেসটি বন্ধ করতে পারেন। কিন্তু সমস্যা হয় তখনই যখন প্রসেসটি থাকে Hidden যা Task Manager এ Show করে না। এক্ষেত্রে আপনি HijackThis নামের সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে পারেন যা বেশ ভাল একটি Spyware Remover।

ভাইরাস নিয়ে আরো অনেক তথ্য জানতে পারবেন সাথে থাকুন সব সময়....



ভাইরাস প্রতিরোধ ২

এণ্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার এবং অন্যান্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা
দুটি সাধারণ পদ্ধতিতে এণ্টি-ভাইরাস সফটওয়্যারগুলো ভাইরাস সনাক্ত করে থাকে। প্রথম ও সর্বাধিক প্রচলিত পদ্ধতিটি হল ভাইরাস সিগনেচার সংগ্ঞার তালিকা থেকে ভাইরাস সনাক্তকরণ। এই সনাক্তকরণ পদ্ধতির প্রধান সমস্যা হল ব্যবহারকারীরা কেবল সেসব ভাইরাস থেকেই রক্ষা পান যেগুলো পুর্বোক্ত ভাইরাস সংগ্ঞার আপডেটে উল্লিখিত থাকে। দ্বিতীয় পদ্ধতিটি হল হিউরিস্টিক এলগরিদম যা ভাইরাসের সাধারণ সংগ্ঞা থেকে সনাক্ত করা হয়। এই পদ্ধতিতে এণ্টি-ভাইরাস সিগনেচার ফার্ম কর্তৃক সংগ্ঞায়িত ভাইরাস না হয়েও তা সনাক্ত করা যায়।
সারানোর প্রক্রিয়া
কোন কম্পিউটার একবার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হবার পর অপারেটিং সিস্টেম পুনরায় ইনস্টল করা ছাড়া তা ব্যবহার করা বিপদজনক। তবে ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটারকে সারিয়ে তোলার জন্য বেশ কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছে। এই পদ্ধতিগুলো ভাইরাসের প্রকার ও আক্রান্ত হবার মাত্রার উপর নির্ভর করে।
ভাইরাস মুছে ফেলা
উইণ্ডোজ এক্স পিতে ক্ষতিগ্রস্ত সিস্টেমকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে আসার পদ্ধতিটি সিস্টেম রিস্টোর নামে পরিচিত, যা রেজিস্ট্রি এবং গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম ফাইলসমূহকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে আসে। অনেক সময় এর প্রয়োগ ভাইরাস সিস্টেমটিকে হ্যাং করে দেয় এবং পরবর্তীতে হার্ড রিবুট এটিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার আগের অবস্থায় নিয়ে যাবে। অবশ্য কিছু ভাইরাস রিস্টোর সিস্টেমসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ টুল যথা টাস্ক ম্যানেজার এবং কমাণ্ড প্রম্পট বিকল করে দেয়। এগুলো করে এমন একটি ভাইরাসের নাম সায়াডোর। বিভিন্ন উদ্দেশ্যে এডমিনিস্ট্রেটরের উক্ত টুলগুলো অন্যান্য ব্যবহারকারীদের জন্য অকেজো করে রাখার ক্ষমতা আছে। ভাইরাস রেজিস্ট্রিকে পরিবর্তন করে দেবার মাধ্যমে একই কাজ করে, ফলে যখন একজন প্রশাসক কম্পিউটারটি চালান তখন তিনিসহ অন্যান্য ব্যবহারকারী এই টুলগুলো ব্যবহার করা থেকে বঞ্চিত হন। যখন একটি আক্রান্ত টুল ভাইরাসের মাধ্যমে অকেজো হয়ে যায় তখন তা "Task Manager has been disabled by your administrator." বার্তাটি দেয়।
অপারেটিং সিস্টেমের রিইন্সটলেশন
যদি কোন কম্পিউটারে এমন কোন ভাইরাস থাকে যা এণ্টি ভাইরাস সফটওয়্যারের পক্ষে মুছে ফেলা সম্ভব না হয় তবে অপারেটিং সিস্টেমের পুনরায় ইন্সটলেশন জরুরি হতে পারে। এটি সঠিকভাবে করার জন্য হার্ড ড্রাইভ সম্পুর্ণভাবে ডিলিট করতে হবে (পার্টিশন ডিলিট করে ফরম্যাট করতে হবে)।

ভাইরাস নিয়ে আরো অনেক তথ্য জানতে পারবেন পর্ব-৩ এ


মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১০

হিরেন বুট সিডি: HBCD গোস্ট দ্বারা কয়েক মিনিটে উইন্ডোজ ইনস্টল

নরটন গোস্ট দ্বারা সহজেই উইন্ডোজসহ অনান্য সফটওয়্যার ইনস্টল করা যায় মাত্র করেক মিনিটে। এজন্য গোস্টের সফটওয়্যার প্রয়োজন। হিরেন বুট সিডিতে নরটন গোস্টসহ মিনি এক্সপি থাকাতে সহজেই (গ্রাফিক্যাল মুডে) এই কাজটি করা যায়।
প্রথমে কম্পিউটারে (C: ড্রাইভে) উইন্ডোজ ইনস্টল দিন এবং উইন্ডোজ চালু করে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করে দরকারী সকল সফটওয়্যার ইনস্টল করুন। এবার হিরেন বুট সিডি কম্পিউটারে প্রবেশ করিয়ে রিস্টার্ট করুন। বুট মেনু আসলে থেকে Mini XP নির্বাচন করে এন্টার চাপুন তাহলে মিনি এক্সপি লোড হবে।
ডেক্সটপ থেকে HBCD Menu চালু করে Menu থেকে Backup>Ghost 32* চালু করুন। কোন সতর্ক বার্তা আসলে OK করে About বার্তাতেও Ok করতে হবে। তাহলে নরটন গোস্ট চালু হবে।
ইমেজ তৈরী করতে নরটন গোস্টের মেনু থেকে Local>Partition>To Image নির্বাচন করে Ok করুন। এখন যে ড্রাইভের (C ইমেজ তৈরী করতে চান সেটি নির্বাচন করে Ok করুন এবং অন্য একটি ড্রাইভে নাম লিখে সেভ করুন। এখন ফাইলটি কমেপ্রস সংক্রান্ত (No | Fast | High) ম্যাসেজ আসবে (এখানে No করলে কমেপ্রস হবে না কিন্তু কম সময় লাগবে, Fast করলে দ্রত কম্পেস হবে এবং কিছুটা ধীর গতিতে কাজ করবে এবং High করলে অধিকতর কমেপ্রস হবে এবং বেশী ধীর গতি হবে )। এরপরে Proceed ম্যাসেজে YES করলে কপি শুরু হবে এবং কিছুক্ষণের মধ্যে কপি সম্পন্ন হবে।
যে কম্পিউটারে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে (ইমেজ রিস্টোর করতে) চান সেই কম্পিউটার হিরেন বুট সিডি দ্বারা চালু Mini XP চালু করুন। প্রয়োজনে মিনি এক্সপি থেকে সি ড্রাইভ ফরম্যাট করে নিতে পারেন।
এবার ডেক্সটপ থেকে HBCD Menu দ্বারা Ghost 32* চালু করে নরটন গোস্টের মেনু থেকে Local>Partition>From Image নির্বাচন করে Ok করুন। এখন ডিক্স নির্বাচন করে যে পার্টিশনে (C ইনস্টল করতে চান সেটি নির্বাচন করে Ok করুন। এরপরে Proceed ম্যাসেজে YES করলে কপি শুরু হবে এবং কিছুক্ষণের মধ্যে উইন্ডোজ কপি সম্পন্ন হবে।

অবশেষে কম্পিউটার রিস্টার্ট করে সিডি বের করুন এবং উইন্ডোজ ব্যবহার করুন। উইন্ডোজে অধিক সফটওয়্যার ইনস্টল করলে ইমেজ ফাইলটির সাইজ বেশী হবে। যে কম্পিউটারে ইমেজ রিস্টোর করবেন সেই কম্পিউটারের ড্রাইভের সাইজ লক্ষ্য রাখা উচিত। সি ড্রাইভ ইমেজ করে উক্ত ইমেজ নতুন কম্পিউটারে সি ড্রাইভে রিস্টোর না করলে উইন্ডোজ বুট হবে না। কারণ বুট ফাইল সি ড্রাইভের। সেক্ষেত্রে ম্যানুয়ালী বুট ফাইল পরিবর্তন করতে হবে।

Download করুন

সূত্র-সমকাল দর্পন

হিরেন বুট সিডি: উইন্ডোজের পাসওয়ার্ড উদ্ধার Win Password recover

হিরেন বুট সিডি: উইন্ডোজের পাসওয়ার্ড উদ্ধার

উইন্ডোজের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে হিরেন বুট সিডির জুড়ি নেই। হিরেন বুট সিডির প্রায় ২০০টির মত টুলসের মধ্যে পাসওয়ার্ড রিকভার অন্যতম। হিরেন বুট সিডির এই টুলস দ্বারা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের যে কোন ইউজারের পাসওয়ার্ড মুছে ফেলা করা যায়।
এজন্য প্রথমে হিরেন বুট সিডি কম্পিউটারে প্রবেশ করিয়ে চালু করুন। তাহলে হিরেন বুট মেনু আসবে। ধাপ ১: Start Hiren’s BootCD নির্বাচন করে এন্টার করুন তাহলে হিরেন বুট সিডি চালু হবে।
ধাপ ২: Password & Recovery Tools… নির্বাচন করে এন্টার করুন।
ধাপ ৩: Active Password Change XP+ নির্বাচন করে এন্টার করুন এবং কোন ওয়ার্নিং ম্যাসেজ আসলে YES করুন।
ধাপ ৪: MS SAM (পাসওয়ার্ড ডেটাবেস) ফাইল খুঁজে বেড় করতে ২ চাপুন (অথবা Logical Drive জানা থাকলে ১ চেপে নির্বাচন করেও খোঁজা যায়), তাহলে SAM (পাসওয়ার্ড ডেটাবেস) ফাইল খুঁজে পাওয়া যাবে। কম্পিউটারে একাধিক উইন্ডোজ ইনস্টল দেওয়া থাকলে একাধিক ড্রাইভের SAM ফাইল লোকেশন আসবে। এবার নির্বাচন করে এন্টার করুন তাহলে উক্ত উইন্ডোজের সকল ইউজার দেখা যাবে।
ধাপ ৫: যে ইউজারের পাসওয়ার্ড মুছে ফেলতে চান সেটি (নম্বর) নির্বাচন করে এন্টার করুন।
ধাপ ৬: নিচের Clear this User’s Password নির্বাচন করে কীবোর্ড থেকে Y চাপুন। তাহলে পাসওয়ার্ড মুছে যাবে এবং নিচে নিশ্চিতকরন ম্যাসেজ আসবে।
ধাপ ৭: Esc চেপে বেড় হয়ে আসুন এবং Restart লিখে এন্টার করে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
এবার উইন্ডোজে লগইন করার সময় উক্ত ইউজার পাসওয়ার্ড ছাড়ায় লগইন হবে

সূত্র-সমকাল দর্পন